Monginis chocolates and Fascism/ মনের জিনিস মনজিনিস ও ফ্যাসিবাদ

Did you know that Monginis, the iconic Indian cake shop, was founded in Bombay in 1902 by two Italian brothers? A hundred years ago around this time of year, the Mongini brothers would be wrapping up their elaborate Easter Bazaar at their store on Churchgate Street in Bombay.

Discovering an unexplored private archive is many a historian’s dream. In July 2016 a friend in Mumbai, Simin Patel, opened the doors of a treasure trove for me- her family’s trunk of old papers, postcards, picture books and assorted memorabilia. Among the first things in that trunk to catch my eye was this old box from Mongini Ltd.

Monignis box

Though I have grown up on a steady diet of Monginis birthday cakes for several years of my life, it never occurred to me to think that not only might the name “Monginis” be of Italian origin, but also that the company might be more than a hundred years old!

So I racked through old articles of the Times of India to learn more about the company. Turns out that in 1902 Messrs. Mongini opened their restaurant and confectionery on Churchgate Street in Bombay as Mongini Ltd. In 1919, following a widening of Churchgate street, they reopened their new and larger building as the Mongini Brothers. The TOI reported that “Messrs. Mongini’s building will prove a valuable addition to the palatial business establishments of the city… The ground floor will be used as Refreshment room and confectionery. The dining room will be located on the first floor. Whilst the 2nd floor may be reserved and arrangements made for wedding receptions, dinner parties, presentation ceremonies and so on.” (TOI, Mar 21 1919).

Monginis Christmas

The Times of India, 6 December 1929. Courtesy ProQuest Historical Newspapers.

So not only was Mongini’s famous for its cakes, it was also a place for Bombay’s European and later Indian elite to have dinner while listening to classical music, hold meetings, book clubs and all manner of cultural and business soirees. In the 1930s Mongini’s became quite famous for its Hungarian orchestra, directed by Laszlo Szabo and played by Hungarian musicians. There were concerts on Tuesdays, dinner dances on Fridays and Saturdays and as the TOI said, Mongini’s was quite the “favoured haunt at afternoon and evening of the city’s socialites, intelligentsia and business bosses.” The chocolates and cakes were of course special, particularly on the occasion of the annual Easter and Christmas Bazaars. Several TOI articles describe the crackers and chocolates of all sizes and descriptions piled high, alongside sweets both freshly made and imported like marrons, crystallized fruit, sugar coated almonds, caramels, toffees, wafers, Easter eggs, gauzy butterflies and black cats for table decorations, and the bakery making fresh Christmas cakes to be sent all over India.

What is less known perhaps is that L. U. Mongini, one of the founding brothers of the company, was a proud fascist who wrote several letters to the Times of India praising “the immense services rendered by Mussolini to Italy” and explaining how “Fascism [had] saved Italy” from the disaster that was Communism in his opinion. Mr. Mongini was a member of the Bombay Presidency Trades Association, Consul for the Italian Touring Club of Bombay (which seems to have promoted tourism in Italy), and Director of the Fascism centre in Bombay founded in 1925.

Monginis Easter

The Times of India, 29 March 1929. Courtesy ProQuest Historical Newspapers.

While debating the benefits of Fascism with another reader of the newspaper he wrote quite frankly, “if on the one hand Fascism insists on discipline and places restrictions on so-called liberty, on the other hand it creates order and economic balance in the State.” He had no qualms admitting that Fascism curtailed the freedom of the press, freedom of assembly and the right to strike, because it protected the regime from sedition and defamation by giving it a “firm strong hand”. Besides, Fascism for him was more than just a party, it “[identified] itself with the nation… It [was] the Italian nation itself.”

Though none of the letters by L.U. Mongini to the press on the subject of Fascism ever mentioned Mongini Ltd., we know that it is the same Mr. Mongini because the address from which he signed his letters was that of the shop (45 Church Gate Street). Thus the man who supplied sweet delights to elites all over India and Bombay was also the man who thought Mussolini and a “strong regime” was the answer to Italy’s troubles. Following the turns of history and the outcome of the Second World War, fascism and Mussolini may no longer be things to be openly proud of. But there was a time when even moderates thought Mussolini had made great contributions to Italy, as even the man debating with Mr. Mongini over Fascism conceded. For Mr. Mongini, and many others of his time, these were all things to take pride in- the strength and supremacy of the nation, the squashing of all criticism of Fascist violence as “defamation” and “seditious propaganda”, and abolishing civil and workers liberties to strengthen “the Kingdom of Fascism and its Duce.”

Monginis (now Mio Amore in Kolkata) no longer has anything to do with Italy or Fascism of course. Ownership passed to Indian hands and the brothers left the country at the time of Independence. But as you buy your next chocolate cake or eat an Easter egg anywhere in the world this season, it’s worth wondering- do you know people who believe in similar things today? And if so, who are the Il Duces of our times?

Monginis orchestra

The Times of India, 13 March 1934. Courtesy ProQuest Historical Newspapers. 

~

ভারতবর্ষের সুপরিচিত কেকের দোকান মনজিনিসের জন্ম কোথায় জানেন? ১৯০২ সালে বম্বে শহরে দুই ইটালিয়ান ভাইয়ের হাতে। একশ বছর আগে ঠিক এরম সময়, মনজিনি ব্রাদার্সের চার্চগেট স্ট্রীটের দোকানে গেলে একটি বিরাট ইস্টার বাজার দেখতে পেতেন।

ঐতিহাসিক গবেষণার পথে কোন ব্যক্তিগত আর্কাইভ খুঁজে পাওয়া অনেক ইতিহাসবিদেরই স্বপ্ন। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে এক বন্ধু, সিমিন পাটেলের কৃপায়, আমার সেই স্বপ্ন পূর্ণ হয়। তার পরিবারের পুরনো একটি ট্রাঙ্কে প্রচুর ছবি, পোস্টকার্ড, খবরের কাগজ ইত্যাদির সন্ধান পাওয়া যায়। সেই ট্রাঙ্ক খুলতেই প্রথমে আমার চোখ গিয়ে পড়ে এই মনজিনিসের বাক্সটির উপর।

Monignis box

সমস্ত ছোটবেলা জন্মদিনে মনজিনিসের কেক খাওয়া সত্ত্বেও কোনদিন চিন্তা করিনি যে “মনজিনিস” নামটি হয়ত মূলত ইটালিয়ান। এমনও ভাবিনি যে কোম্পানিটির বয়স একশ বছরেরও বেশি!

তাই টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়ার প্রায় একশ বছর পুরনো সংখ্যাগুলি ঘেঁটে তদন্তে নেমে পড়ি। কাগজ পড়ে জানলাম যে প্রথম ১৯০২ সালে দুই মনজিনি ভাই বম্বের চার্চগেট স্ট্রীটে মনজিনি লিমিটেড নামে একটি রেস্টোরেন্ট ও মিষ্টির দোকান উপস্থাপনা করেন। ১৯১৯ সালে, রাস্তা চওড়া করার কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর তাঁরা নতুন করে আরো প্রশস্ত রূপে মনজিনি ব্রাদার্স নামে দোকানটি খোলেন। টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়ার কাগজে খবর বেরয় যে “মনজিনি মহাশয়দের দোকানটি এই শহরের প্রাসাদতুল্য ব্যবসায়ী সংস্থার দলে একটি মূল্যবান সংযোজন। ইমারতটির এক তলায় খাবার ও মিষ্টির দোকান হবে। দু তলায় খাবারের ঘর বা ডাইনিং রুম হবে। এবং তিন তলায় বিয়ের আসর, ভোজন, বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে ঘর ভাড়া করার ব্যবস্থা করা হবে।” (২১ মার্চ ১৯১৯)

Monginis Christmas

টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়া, ৬ ডিসেম্বার ১৯২৯.

অর্থাৎ সেই সময় মনজিনির খ্যাতি কেবল মাত্র কেকের সূত্রে নয়, বম্বের ইউরোপীয় এবং ভারতীয় অভিজাত ব্যক্তিদের ক্লাসিক্যাল সঙ্গীত সহ ডিনার পার্টি, বৈঠক ইত্যাদি নানান রকমের আসরের আদর্শ ঠিকানা হিশেবে ছিল। ১৯৩০-এর দশকে মনজিনির লাস্লো সাবো দ্বারা পরিচালিত হাঙ্গেরিয়ান অর্কেস্ট্রার সুনাম বাড়ে। প্রতি মঙ্গলবার কন্সার্ট এবং শুক্রবার ও শনিবার সান্ধ্যভোজন ও নাচের অনুষ্ঠানের প্রথা চালু করা হয়। টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়ার ভাষায় মনজিনি “দুপুর ও সন্ধ্যা বেলায় শহরের বুদ্ধিজীবী, ব্যবসা নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পছন্দের আড্ডা” হয়ে ওঠে। চকলেট ও কেকের খ্যতি তো অবশ্যই ছিল, বিশেষত মনজিনির বার্ষিক ইস্টার ও বড়দিনের বাজারগুলিতে। খবরের কাগজের প্রবন্ধে দোকানে সাজান নানান আকার-প্রকারের রাশীক্রিত চকলেট ও পটকার বিবরণ পড়া যায়, তাদের পাশে বিভন্ন রকমের মিষ্টি, কিছু টাটকা তৈরি, কিছু আমদানি করা- ফরাসি মধুমাখা চেস্টনাট, বাদাম ও ফল, ক্যারামেল, টফী, বিস্কুট, ইস্টারের ডিম, সূক্ষ্ম কাগজের প্রজাপতি, কালো বিড়ালের পুতুল ইত্যাদি নানান প্রকারের টেবিলের সজ্জা, এবং সমস্ত দেশে পাঠানোর জন্য স্থানীয় বেকারিতে তৈরি বড়দিনের কেক।

তবে মনজিনি ব্রাদার্সের অন্তত এক ভাই যে গর্বিত ফ্যাসিস্ট ছিলেন সেই বিষয়টি অনেক কম আলোচিত। এল.ইউ.মনজিনি টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়ার কাগজে “ইট্যালির জন্য মুসোলিনির অপরিমেয় সেবার” জয়গান গেয়ে এবং তাঁর মতে কমিউনিসামের সর্বনাশ থেকে ইট্যালির রক্ষা কিভাবে ফ্যাসিবাদের দয়ায় হয় তা বুঝিয়ে বেশ কিছু চিঠি লিখেছিলেন। মিস্টার মনজিনি বম্বে প্রেসিডেন্সি ট্রেড্‌স এ্যাশোশিয়েসানের সদস্য ছিলেন, ইট্যালিয়ান টূরিং ক্লাব অফ বম্বের অধিনায়ক ছিলেন, এবং ১৯২৫ সালে স্থাপিত বম্বের ফ্যাসিবাদ সেন্টারের পরিচালক ছিলেন। খবরের কাগজে চিঠির মাধ্যমে আরেক পাঠকের সঙ্গে তর্কের মাঝে উনি স্পষ্ট লেখেন যে “এক দিকে ফ্যাসিবাদ নিয়মানুবর্তিতার হুকুম ও তথাকথিত স্বাধীনতার উপর বিধিনিষেধ স্থাপিত করলেও, অপর দিকে রাজ্যে শৃঙ্খলা ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য সৃষ্টি করে।” ফ্যাসিবাদ যে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, সমাবেশের স্বাধীনতা এবং ধর্মঘট করার অধিকার কেড়ে নেয় সে কথা তিনি বিনা সংশয়ে মেনে নেন, কারণ তাঁর মতে রাজদ্রোহ এবং অপবাদ থেকে সরকারকে রক্ষা করার জন্য শাসনের “কড়া হাতের” প্রয়োজন। তা ছাড়া, ওনার মতে ফ্যাসিবাদ কেবলমাত্র একটি রাজনৈতিক দল নয়, বরঞ্চ সম্পূর্ণ দেশের পরিচয়- ফ্যাসিবাদই “ইটালিয়ান জাতির রূপ।”

Monginis Easter

টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়া, ২৯ মার্চ ১৯২৯.

ফ্যাসিবাদের বিষয়ে মনজিনির কোন চিঠিতেই মনজিনি দোকানের নাম নেই, তবে চিঠিগুলির নিচে চার্চগেটের দোকানের ঠিকানা দেখে চেনা যায় যে দুই মনজিনি একই। অর্থাৎ যেই ব্যক্তিটির নাম সমস্ত বম্বে শহর ও ভারতবর্ষে মুখরোচক চকলেটের সঙ্গে পরিচিত ছিল, সেই একই ব্যক্তি মানতেন যে মুসোলিনির “দৃঢ় শাসনেই” ইট্যালির সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়। ইতিহাস ও দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পথ অতিক্রম করার পর আজ মুসোলিনি বা ফ্যাসিবাদ দুটোর কোনটাই প্রকাশ্যে গর্বের কারণ না হতে পারে। তবে এক সময়ে অনেক মধ্যপন্থি লোকেরাও ফ্যাসিবাদ পছন্দ না করলেও বিশ্বাস করতেন যে ইট্যালির প্রতি মুসোলিনির অবদান সত্যি মহান। আজ থেকে আশি বছর আগে মনজিনি মহাশয়ের মতন বহু লোকই এই জিনিসগুলিকে সর্বপ্রধান মনে করতেন- জাতি ও দেশের শক্তি ও আধিপত্য, ফ্যাসিস্ট হিংস্রতার সকল সমালোচনাকে “অপবাদ” ও “রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা” বলে দমন করা, এবং সমাজ ও শ্রমিকদের স্বাধীনতা বাতিল করে “ফ্যাসিবাদের রাজত্ব ও তার ডিউশ্‌” বা নেতার শাসন দৃঢ়তম করে তোলা।

মনজিনিসের নাম এখন মিয় আমরে। ইট্যালি বা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে তার সম্পর্ক বহুকাল আগেই শেষ। স্বাধীনতার সময় দোকানটি বিক্রি করে দুই মনজিনি ভাই দেশ ছেড়ে চলে যান। তবে একবার ভেবে দেখবেন- আজকের জগতে এরম জিনিস বিশ্বাস করে এমন লোকদের কি আপনি চেনেন? তাদের পছন্দের “ইল ডিউশ্‌” বা নেতারা কারা?

Monginis orchestra

টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়া, ১৩ মার্চ ১৯৩৪.

Advertisements

13 comments

  1. Gaurav Garg · April 17

    this is a great write- up. keep archiving!

    Like

  2. mahesh gopalan · April 17

    Ah! thank you for this Easter Monday read 🙂 and yes…. keep archiving !

    Like

    • Tania · April 17

      Thank you Gops! I timed it especially for Easter.

      Like

  3. Admin · April 17

    Fantastic read, thanks for sharing Tania!

    Like

  4. Not Known · April 18

    Lovely site; many thanks, but I’d rather remain anonymous.

    Like

  5. Sushmit Dey · April 19

    Amazing to get to know some history 🙂 great work

    Like

  6. joshimanasi · April 19

    Wonderful read. Thank you for the extensive research done on Monginis.

    Like

  7. KB · April 21

    Monginis is still Monginis in most places, Mio Amore is something that was adopted by their partner company in the Eastern Region after they agreed to part ways. The Khorakiwallas are still owners of the Monginis brand and still control Monginis cakeshops in the country.

    Like

  8. Tania · April 22

    Thank you for pointing that out. The story of Monginis after independence under Indian ownership is long and varied too, both in Mumbai and elsewhere. Since I wasn’t focussing on that period I did not go into the details. In Kolkata, where I am from, all the Monginis stores now run as Mio Amore, hence the quick reference to the new brand. But it is still Monginis in Mumbai, you are right.

    Like

  9. dskanta · April 23

    Thanks for the nice one. You know, it only strengthens our hope that even the present ones in the government and its supporters in the business world would be thrown into the dust bin someday. Thank again.

    Like

  10. KB · April 26

    Thanks for the reply. I was wondering why you didn’t cover the current ownership. May be you can do a follow up part 2 ? That would be great.

    Like

  11. sagikaria · April 30

    Really nice one..✌

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s