Scribbles: about stationery / হিজিবিজি: কাগজ-কলম সংক্রান্ত

Because not everything that catches my fancy in the archive is serious..

In Bibhutibhushan Bandopadhyay’s famous Bengali novel Pather Panchali, Apu as a young boy is once found sitting down to do homework. Much more engaging than the task of learning however, is the ink in his father’s inkstand, which glitters when he writes on paper with it. I don’t remember why the ink glittered so much- I read the book as a teenager. But the memory of an enthralled Apu filling page after page with lines, from the sheer joy of observing the black words glittering in the sun pouring into the uthon (porch) of a decrepit village house, remained etched in my mind.

10 years later, while dabbling in documents in the dark, dusty Maharashtra State Archives, that image floated up in front of my eyes. Seems like it wasn’t just little boys who liked glittery ink. Nor did glittery ink come into vogue with those Ad-gel pens of my teenage years. Apu of Nischindopur liked it, and so did thirty five year old Abdullah Sassoon of Bombay.

Sassoon ink

If the glitter of the ink looks faint, remember it is 161 years old. And you can still catch the twinkle of the ‘o’, even in a poor picture without adequate light. 

Abdullah David Sassoon was the older son of David Sassoon, the famous Baghdadi Jew of Bombay after whom Sassoon Dock in Mumbai today is named (they had it built). Here is a brief history of the Sassoons in their own words, taken from their letter of application for naturalization as British subjects in 1853:

20160502_174149

Entrance to Sassoon Dock. Picture by author. 

20160502_134856

David Sassoon Library. Picture by author. 

“That your Petitioner David Safsoon is about Sicty years of age and was born at Baghdad as well as his Two Sons Abdoolla David and Ellias David aged respectively the first thirty-five years and the last thirty three years and who all came to Bombay about Twenty years ago and have Since that time been trading in Bombay as merchants under the name, Style and firm of “David Safsoon and Company”.

That since their residence in Bombay they have acquired considerable moveable and immoveable property but by reason of their being aliens have experienced considerable difficulty at times in carrying out Speculations.”

Fascinating as the history of the Sassoons of Bombay are, I was rather taken with the minor fact of Abdullah’s preference for glittery ink. It is always a pleasure to imagine the real people behind the centuries’ old documents in our hands.

Take the following letter from the Khan of Janjira in 1848, for example:

Sidi letter

Janjira was an island-state in the Arabian Sea off the shore of Bombay, ruled by the Sidis (1618-1948) who were also called Habshees (since many of their ancestors were from Ethiopia or Al-Habash). Today all Indians of African descent are known as Sidis, but the history of Sidis in India is long, dispersed and varied.

Nawab of Janjira

Nawab Sidi Ahmed Khan of Janjira.     r. 1879-1922. The Kenneth and Joyce Robbins Collection. Courtesy of Schomberg Centre for Research in Black Culture.

In this letter the Nawab of Janjira is demanding the return of two absconding men from his island who had escaped to Bombay, which was then British East India Company territory. It is a bilingual letter, with a Persian introduction and the rest in Marathi, but both languages written in the same Modi script. Which is why it all looks the same to someone like me who cannot read Modi.

Once translated by someone who can, like historian Prachi Deshpande, there are many things of interest about this letter. And yet, I post it here for the reason that it first caught my eye- the beautiful (and incredibly fragile) gold foil decorated letter paper. Professor Deshpande says that in her experience such paper with gold or silver foil is frequently used for formal documents such as sanads or agreements, but not usually for a letter like this, which makes it all the more curious. Perhaps the quality of paper and handwriting, as evidence of the fact that the Sidi nawab took so much care over an ordinary letter, is a testament to the power of the British Company in the mid nineteenth century. Or, who knows, perhaps the Nawab of Janjira simply had a preference for beautiful stationery and a keen aesthetic sense?

With many thanks to Professor Prachi Deshpande for her help. 

~

আর্কাইভে যে শুধু গুরুগম্ভীর জিনিশেই চোখ পড়ে তেমন তো নয়..

পথের পাঁচালী উপন্যাসে মনে পড়ে, অপু একদিন পড়া করতে বসে বাবার দোয়াতের কালো কালিটা নিয়ে মুগ্ধ হয়ে যায়। পাতায় লিখলে উঠোনে পড়া রোদের আলোয় অক্ষরগুলো কেমন চকচক করে, সেই আনন্দেই বার বার কালিতে কলম ডুবিয়ে কালো অক্ষরে সে পাতা ভরিয়ে ফেলেছিল। বিভূতিভূষণের অসাধারণ ভাষায় আঁকা সেই মুহূর্তের ছবিটি মাথায় রয়ে যায়।

দশ বছর পর, মহারাষ্ট্র রাষ্ট্র মহাফেজখানার অন্ধকার ধুলোময় ঘরে ঐতিহাসিক দলিল ঘাঁটতে ঘাঁটতে সেই ছবিটি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। হাতে আব্দুল্লাহ সাসুনের চিঠি। শুধু নিশ্ছিন্দপুরের অপু, বা উনবিংশ শতাব্দীর অ্যাড-জেল কলম ধরা কিশোর-কিশোরীরা কেন, ১৮৫৩ সালে পঁয়ত্রিশ বছরের আব্দুল্লাহ সাসুনও চকচকে কালি পছন্দ করতেন।

Sassoon ink

কালির চিক্‌চিকটা যদি আবছা মনে হয়, তাহলে মনে রাখবেন যে সইটা ১৬১ বছর পুরনো। তবুও ক্ষীণ আলোয় তোলা ছবিতেও সাসুনের ‘o’এর চমক বেশ দেখা যাচ্ছে। 

বম্বে শহরের বিখ্যাত বাগদাদি-ইহুদি ব্যবসাদার ডেভিড সাসুনের বড় ছেলে ছিলেন আব্দুল্লাহ সাসুন। দক্ষিণ মুম্বাই-এর সাসুন ডক এই পরিবারের নামেই নামিত (তাঁদের অর্থ সাহায্যে ফেরিঘাটটি তৈরি হয়)। ১৮৫৩ সালে ডেভিড সাসুন সপুত্র ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রজা হিশেবে স্বাভাবিকরণের আবেদনে চিঠি লেখেন। সেই চিঠিরই ভাষায় সাসুনদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস-

20160502_174149

সাসুন ডকের প্রবেশদ্বার। ছবি লেখকের তোলা। 

“আপনার আবেদক ডেভিড সাসুনের বয়স ষাট বছর, জন্ম বাগদাদে। তাঁর দুই পুত্র আব্দুল্লাহ ডেভিড এবং এলিয়াস ডেভিড, বয়স পঁয়ত্রিশ ও তেত্রিশ। প্রায় বিশ বছর আগে তাঁদের সবার বম্বে শহরে আগমন এবং সেই সময় থেকেই তাঁরা “ডেভিড সাসুন অ্যান্ড কোম্পানি” নামের মাধ্যমে বম্বে থেকে বাণিজ্য করে এসেছেন।

বম্বে তে বাস করা কালীন তাঁরা বেশ কিছু অস্থাবর ও স্থাবর সম্পত্তি অর্জন করেছেন কিন্তু বিদেশি হওয়ার কারণে লাভের উদ্দেশে লগ্নি করার বিষয়ে প্রায়েই অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছেন।”

20160502_134856

ডেভিড সাসুন লাইব্রেরি। ছবি লেখকের তোলা।

বম্বের সাসুনদের ইতিহাস খুবই চিত্তাকর্ষক। তবে সেইদিন আব্দুল্লাহর চকচকে কালির সইয়ের মতন সামান্য জিনিশের প্রতিই নজর পড়ল। কয়েকশ বছর পুরনো কাগজ-পত্র হাতে ধরে সেগুলির ঐতিহাসিক স্রষ্টাদের ব্যক্তিত্বের বিষয়ে কল্পনা করতে বেশ লাগে।

যেমন ধরুন ১৮৪৮ সালের জাঞ্জিরার খানের লেখা এই চিঠি-

Sidi letter

বম্বে শহর থেকে অল্প দুরে আরব সাগরে জাঞ্জিরা নামক এক দ্বীপ-রাষ্ট্রে ছিল সিদিদের রাজত্ব (১৬১৮- ১৯৪৮)। সিদিদের হাবশী নামেও চেনা যেত, কারণ তাঁদের অনেকের পূর্বপুরুষেরা ইথিওপিয়ার বা আল-হাবাশ-এর বাসিন্দা ছিলেন। আজ আফ্রিকান বংশদ্ভুতের সকল ভারতবাসীদেরকে সিদি বলে ডাকা হয়, কিন্তু ভারতবর্ষের সিদিদের ইতিহাস ভীষণই দীর্ঘ ও বিচিত্র।

Nawab of Janjira

জাঞ্জিরার নবাব সিদি আহমেদ খান, র.১৮৭৯-১৯২২। কেনেথ্‌ অ্যান্ড জয়েস রবিন্স কালেকশান। সৌজন্যে শম্বার্গ সেন্টার ফর রিসার্চ ইন ব্ল্যাক কালচার। 

এই চিঠিতে জাঞ্জিরার নবাব ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রশাসনকে জানিয়েছেন যে তাঁর দুই অপরাধী প্রজা বম্বেতে পলায়ন করেছে, এবং তাদের যেন জাঞ্জিরায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়। চিঠিটা দু ভাষায় লেখা- ভূমিকা ফারসিতে এবং বাকিটা মারাঠিতে- কিন্তু দুটি ভাষাই এক মোদি লিপিতে লেখা। তাই, আমার মতন যারা মোদি পড়তে পারেন না, তাঁদের চোখে এই পার্থক্যটি ধরা পড়বে না।

মোদি পড়তে জানেন এমন কোন ইথিহাসবীদ, যেমন প্রাচী দেশপাণ্ডে, চিঠিটা পড়ে দিলে নানান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চোখে পড়ে। তবে এইখানে চিঠিটার ছবি আজ লাগাচ্ছি ভাষা বা লিপির আলোচনা করার জন্য নয়। প্রথম দিন চিঠিটা দেখে সোনার পাত দিয়ে সাজানো কাগজখানি খুব সুন্দর (ও সূক্ষ্ম) লেগেছিল। প্রফেসার দেশপাণ্ডে বললেন যে ওনার অভিজ্ঞতায় এই ধরনের সোনা বা রুপোর পাত দিয়ে সাজানো কাগজ সাধারণত সরকারি দলিলে ব্যবহার করা হত, যেমন ধরুন সনদ বা চুক্তিতে। সাধারণ একটি চিঠিতে এই প্রকারের কাগজের ব্যবহার তাই আরোই কৌতূহলজনক। সিদি নবাবের চিঠিতে সুন্দর কাগজ ও হাতেরলেখার প্রতি এই মনোযোগ হয়ত মধ্য উনবিংশ শতাব্দীতে ইংরেজ কোম্পানির ক্ষমতা ও মর্যাদারই এক চিহ্ন। কিংবা, কে জানে, হয়ত ক্ষমতা নয়, শিল্পকলার স্বার্থেই জাঞ্জিরার নবাব দৃষ্টিনন্দন কাগজকলমের প্রতি আগ্রহী ছিলেন?

প্রফেসার প্রাচী দেশপাণ্ডে কে সাহায্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s