Archivenama? What’s that? / আর্কাইভনামা? সে আবার কি?

Archives are like cities. Some are meticulously planned, destinations easily identifiable by street and avenue intersections, like New York. Others, a jumble of roads and alleys that Google Maps can’t fully get a grip on, like Kolkata. You set out to navigate its streets and lanes with a handful of historical questions to lead you, sifting through the voices at every door. There are the ones that you listen carefully to, and uncountable others that you put aside or never get wind of. And as often as (sometimes more often than) you arrive at addresses with the stories that help you fit a piece of the larger puzzle you have set yourself as a historian, you also arrive at dead ends or walk into unexpected lives.

I am a fourth year PhD student of history, and I have been collecting nuggets from archives in a few places across the world intermittently for a few years now, learning how to use them to answer historical questions, mostly about the nineteenth and twentieth centuries in South Asia and the Indian Ocean world. But the more time I spend in archives, the more I am struck by the peripheral discoveries. That is to say, not the details that I am likely to use to answer the questions in my dissertation, but ones that are fascinating and illuminating nevertheless. Often, while trying to attend to furious debates between merchants and the government, I will be sidetracked by reports of a doomed love affair between an Indian lawyer and a British woman. Or the peculiarities of a bilingual, trade union rulebook will occupy me when I ought to be scrutinising the list of pensioners at the Bombay port. What, then, should become of these stories?

Hence, Archivenama. In the style of Akbarnama or the Book of Akbar, you may call it the Book of Archives, or like a safarnama (travelogue) it can be an archival (web)log. As Pablo Neruda wrote in his memoirs, I will not write about these historical moments in a chronological order of discovery, as a conventional log may expect, but in the order that they come to my mind, like the waves of the sea. The content of every post, however, will not be grounded in the context of my whims but that of history. Perhaps some people will have from this, a glimpse (a very small, partial glimpse) of the ore that we work with as historians digging away in the mysterious place called the archive. Perhaps some will see the questions that we put to our sources and how knowledge is as much about selection and organization of facts as about discovery. Or perhaps whoever reads this blog will do so only because the snippets it shares are entertaining. Whichever be the case, these stories would do well to breathe outside the air of the archive and the dissertation. So it is here that they will keep coming as I continue on my year of research for my PhD.

And why blog in two languages? Because one of the many things that studying South Asian and Indian Ocean history has imbued me with is a sense of the spectacular multilinguality of our existence- everyday and intellectual- and simultaneously the fast depleting ability or desire of many of my peers in India to write well in languages other than English. I number myself among those who never learned to write well enough in Bangla, and I hope to learn to do it better, as I write. This is where I start.

~

সব মহাফেজখানা বা আর্কাইভই শহরের মতন। কোনোটা অতিসতর্ক ভাবে পরিকল্পিত, নিউ ইয়র্কের মতন দুই আড়াআড়ি রাস্তার নাম জানলেই সহজে গন্তব্য স্থান খুঁজে পাওয়া যায়। আবার কোনোটা কলকাতার মতন এলোমেলো, যার গলি ও সড়কের রহস্য এখনো গুগল্‌ ম্যাপ্‌স এর প্রযুক্তিবিদ্যার ছোঁয়ার বাইরে। ঠিক শহরের মতনই আর্কাইভের রাস্তায় ঐতিহাসিকের বেরিয়ে পড়া- সামনে ইতিহাসের কিছু প্রশ্ন, ও দরজায় দরজায় শোনা স্বরের ভীড় ছেঁকে, পথ বেছে, উত্তরের খোঁজে চলা। নানান রাস্তায় নানান গল্প মন দিয়ে শোনা, কিছু গল্প সরিয়ে রাখা, এবং কতকগুলির খোঁজই না পাওয়া। এইভাবে হেঁটে কখনো কখনো রাস্তা গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ঠিকানায় পৌঁছায়, কিন্তু প্রায়েই কাণাগলি অথবা অপ্রত্যাশিত কিছু জীবন কাহিনীর মাঝে গিয়ে পড়ে।

আমি একজন চতুর্থ বর্ষের পিএইচডি ছাত্রী। বিগত কিছু বছর ধরে নানান আর্কাইভে ঐতিহাসিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে শিখছি, সাধারণত উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীর দক্ষিণ এশিয়া ও ভারত মহাসাগরের জগতের বিষয়ে। আর্কাইভে যত বেশি পড়ি, ততই যেন সীমান্তবর্তী গল্পগুলির চমক বেশি চোখে পড়ে। সীমান্তবর্তী বলতে যেই তথ্যগুলির উল্লেখ আমার পিএইচডির নিবন্ধে খুব সম্ভবত থাকবে না, অথচ যার ইতিহাস নিতান্তই চিত্তাকর্ষক ও জানার মতন। কখনো কাজের মাঝে, সরকার ও বণিকদের তুমুল তর্কের গুরুত্তপূর্ণ খুঁটি নাটি ছেড়ে কোন এক ইংরেজ মহিলা ও ভারতীয় উকিলের জটিল প্রেম কাহিনীর রিপোর্টে গিয়ে চোখ পড়ে। বা, বম্বাই বন্দরের পেনশনভোগীদের তালিকা খুঁটিয়ে দেখার কাজ ফেলে, বন্দরের শ্রমিক সমিতির দ্বিভাষিক নিয়মাবলির অদ্ভুত কায়দা নিয়ে ভাবি। এই ধরনের গল্পগুলির হবে কি?

সেই কথা মাথায় রেখেই, আর্কাইভনামা আকবরনামা বা ‘আকবরের বই’ এর অর্থে, আর্কাইভনামা কেও ‘আর্কাইভের বই’ বলে বুঝতে পারেন। কিংবা সফরনামা বা ভ্রমণ কাহিনীর মতন আর্কাইভের ভেতর আমার যাত্রার বিবরণ হিশেবেও দেখতে পারেন। গল্পগুলি আর্কাইভে আবিষ্কারের কালানুক্রম অনুসারে গুছিয়ে আমি লিখব না; পাব্লো নেরুদা যেমন নিজের স্মৃতিকথায় লিখেছিলেন, মনে যেই অনুক্রমে চিন্তা আসবে, সমুদ্রের ঢেউয়ের মতন, সেই ক্রমেই লিখব। তবে অবশ্যই ঐতিহাসিক প্রসঙ্গের খেয়াল রেখে লিখব, খামখেয়ালি ভাবে নয়। হয়তো কিছু লোক এই ব্লগ পড়ে আর্কাইভ নামক রহস্যময় জায়গাটির ভেতরে ইতিহাসের খনিজ পদার্থের এক ঝলক (খুব ছোট্ট একটি ঝলক) দেখতে পাবেন। কেউ হয়তো ঐতিহাসিকের প্রশ্ন করার ধরনের কিছু উদাহরণ পাবেন, এবং জ্ঞান অর্জন মানেই যে কেবল তথ্যের সন্ধান পাওয়া নয়, তথ্যের নির্বাচন করা ও সাজানোও, সেই ধারণা পাবেন। অথবা হয়তো যারাই এই পোস্টগুলি পড়বেন, গল্পগুলো রসালো বা মনোরম মনে করেই পড়বেন। সে যে কারণেই হোক, এই ঐতিহাসিক মুহূর্তগুলি আমার টিকার মার্জিন ছেড়ে আর্কাইভের বাক্সের বাইরের হাওয়া খেলে বেশ হয়। তাই আগামী এক বছরের আর্কাইভ চর্চা করা কালীন এইখানেই সেই গল্পগুলির হদিশ পাওয়া যাবে।

আর দু ভাষায় ব্লগ লেখা কেন? কারণ দক্ষিণ এশিয়া ও ভারত মহাসাগরের ইতিহাস পড়ে, বহু জিনিসের মধ্যে, আমাদের অসাধারণ বহুভাষিক অস্তিত্বের এক চেতনা হয়। অথচ ভারতবর্ষে আমাদের প্রজন্মে ইংরিজি ছাড়া অন্য কোন ভাষায় ভালো লিখতে পারা যেন ক্রমশই কম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে চলেছে। বাংলায় লেখার হাত আমারও যথেষ্ট পাকা নয়, লিখতে লিখতে শিখতে চাই। তাই, এখান থেকেই শুরু।

 

 

 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s